Wednesday, February 8, 2023
Home Blog

ভালো মানের রাউটার কোনটি? সেরা ৫টি রাউটার । Best routers Bangladesh

ভালো মানের রাউটার কোনটি? সেরা ৫টি রাউটার । Best routers Bangladesh

আপনি কখনো চিন্তা করেছেন কি যে কোন কোম্পানির রাউটার সবচেয়ে ভালো, ভালো মানের রাউটার কোনটি অথবা রাউটার কেনার আগে কোন কোন বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হয়।

বর্তমানে ওয়াইফাই যেন আমাদের জীবনে অক্সিজেনের মতো হয়ে উঠেছে। আর এই ওয়াইফাই এর সুবিধা নিতে গেলে তো আমাদের একটি রাউটার লাগবেই। আর রাউটার কেনার আগে কিছু জিনিস দেখে নেওয়া উচিত। কারণ আপনি যদি ভালো মানের রাউটার না ব্যবহার করেন তাহলে ইন্টারনেট স্পিড কম পাবেন, নেট ড্রপ করার মতো সমস্যা হবে এবং সর্বোপরি ওয়াইফাই ব্যবহার করাই আপনার কাছে বিরক্তিকর হয়ে যাবে।

বাজারে অনেক কোম্পানিরই রাউটার রয়েছে। যেমনঃ ASUS, Tp-Link, TENDA, D LINK, NETGEAR, XIAOMI, AMAZON, ইত্যাদি। এত এত কোম্পানির রাউটার রয়েছে তার মধ্যে আপনি কোনটি কিনবেন, ভালো রাউটার কোনটি তা নিয়ে শঙ্কায় পড়ে যেতে পারেন। তবে চিন্তার কিছু নেই। আমি আপনাকে একটি ভালো মানের রাউটার কিভাবে বাছাই করবেন তা শিখিয়ে দেবো এবং বিস্তারিত উল্লেখ করব এবং বর্তমানে সবচেয়ে ভালো রাউটার কোনগুলো রয়েছে তা জানাবো ইনশাআল্লাহ।

চলুন তাহলে আজকে জেনে নেই একটি রাউটার কেনার আগে কোন কোন বিষয়গুলো যাচাই করবেন এবং একটি ভাল মানের রাউটারে কি কি স্পেসিফিকেশন থাকে এবং বর্তমানে ভালো মানের রাউটার কোনটি।

ভালো রাউটার কেনার সময় কি কি দেখতে হবে?

রাউটার কেনার আগে আপনাকে কিছু বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে এবং দেখতে হবে। যেমনঃ

রাউটার ডুয়েল ব্যান্ডের হলে আপনি ভালো স্পিড পাবেন,

ট্রান্সমিশন স্পিড চেক করে নিতে হবে,

MU-MIMO সাপোর্ট করে কিনা দেখতে হবে।

MU-MIMO সাপোর্টেড রাউটার আপনি বাসায় ব্যবহার করলে সব ব্যবহারকারী সমান ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করতে পারবেন। আর MU-MIMO সাপোর্টেড না হলে ওয়াইফাই দিয়ে যারা ভিডিও দেখবেন তারা বেশি স্পিড পাবে আর অন্যরা তুলনামুলক কম স্পিড পাবে।

ভালো মানের রাউটার কোনটি | সেরা ৫টি রাউটারভালো মানের রাউটার Best router Bangladesh

উপরোক্ত বিষয়গুলো, কভারেজ এরিয়া ইত্যাদির উপর ইত্যাদির উপর নির্ভর করে ৪০০০ টাকার মাঝে বাজারে যে সবচেয়ে ভালো রাউটার কোনগুলো আছে সেগুলো এক নজরে দেখে নিনঃ

১. TP-LINK ARCHER C6

TP-LINK ARCHER C6

স্পেসিফিকেশন:

  • ব্যান্ডউইথঃ ডুয়াল ব্যান্ড (2.4 GHz – 300Mbps ও 5.0 GHz – 867 Mbps)
  • MU-MIMO: সাপোর্টেড
  • ওয়াইফাই রেঞ্জঃ ৪ এন্টেনা | ২০০০ বর্গফুট
দামঃ ৩৫০০+

এটি অনেক টেকসই একটি রাউটার। এই রাউটার ব্যবহার করলে আপনি একটি স্টেবল কানেকশন পাবেন। আপনার বাসায় যদি মেম্বার বেশি হয় এবং সবাই যদি ভিডিও ট্রিমিং করে বা গেমার হয় তাহলে আপনি এই রাউটারটি নিতে পারেন।

২. TENDA AC21

TENDA AC21

স্পেসিফিকেশন:

  • ব্যান্ডউইথঃ ডুয়াল ব্যান্ড (2.4 GHz – 300Mbps ও 5.0 GHz – 1733 Mbps)
  • MU-MIMO: সাপোর্টেড
  • ওয়াইফাই রেঞ্জঃ ৬ এন্টেনা | ৩০০০ বর্গফুট
দামঃ ৩৬০০+

এই রাউটারের স্পিড অন্যান্য রাউটার থেকে অনেক বেশি। আপনাদের বাসার ব্যাবহারকারীরা ইউটিউব বা ফেসবুকে ভিডিও বেশি দেখলে অথবা ব্রাউজিং বেশি করলে তাদের জন্য এটি একটি পারফেক্ট প্যাকেজ।

৩.  NETGEAR R6120

NETGEAR R6120

স্পেসিফিকেশন:

  • ব্যান্ডউইথঃ ডুয়াল ব্যান্ড (2.4 GHz – 300Mbps ও 5.0 GHz – 867 Mbps)
  • MU-MIMO: সাপোর্টেড নয়
  • ওয়াইফাই রেঞ্জঃ ২ এন্টেনা | ১৫০০ বর্গফুট
দামঃ ৩৪০০

এই রাউটারের কভারেজ এরিয়া অন্য রাউটার থেকে অনেক কম। আপনার বাসা যদি বড় হয় তাহলে এটি এই রাউটার উপেক্ষা করতে পারেন। তবে আপনি যদি গেমার হন এবং বাসায় একাই ব্যবহার করেন তাহলে চোখ বন্ধ করে এ রাউটারটি নিতে পারেন।

৪. TP-LINK ARCHER C60

TP-LINK ARCHER C60

স্পেসিফিকেশন:

  • ব্যান্ডউইথঃ ডুয়াল ব্যান্ড (2.4 GHz  – 300Mbps ও 5 GHz – 867 Mbps)
  • MU-MIMO: সাপোর্টেড
  • ওয়াইফাই রেঞ্জঃ ৫ এন্টেনা | ২০০০ বর্গফুট
দামঃ ৩২০০+

টিপি লিংক এর আর্চার সিরিজের রাউটার গুলো অনেক ফাস্ট এবং স্মুথ কাজ করে। আর এখন টিপি লিংকের এডভান্সড এপ রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি অফিস কিংবা গ্রামে থেকেও আপনার বাসার রাউটার ম্যানেজ করতে পারবেন।

৫. TP-LINK DECO E4

TP-LINK DECO E4

স্পেসিফিকেশন:

  • ব্যান্ডউইথঃ ডুয়াল ব্যান্ড (2.4 GHz  – 300Mbps ও 5 GHz – 867 Mbps)
  • MU-MIMO: সাপোর্টেড
  • ওয়াইফাই রেঞ্জঃ ২০০০ বর্গফুট
দামঃ ৩৮০০+

এই রাউটারটির ক্ষেত্রে একটি মাত্র রাউটার ব্যবহার করে আপনি তেমন সুবিধা পাবেন না। আপনি যদি মেশ নেটওয়ার্ক আকারে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে অনেক সুবিধা পাবেন।

মনে করুন, আপনার তিন তলা একটি বাসা রয়েছে এবং আপনি পুরো বাসাটি একটি নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসবেন। তাহলে আপনি এই রাউটারটি ব্যবহার করতে পারেন। তখন আপনি এই মডেলের অনেকগুলো রাউটার কিনে বাসায় সেট করে নিবেন। একটি রাউটারে কানেকশন দিয়ে বাকিগুলোকে আপনি রিপিটার হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন এবং সব ব্যবহারকারী সমান স্পিড পাবে।

আশা করি, এখন আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন যে ভালো মানের রাউটার কোনটি এবং আপনার জন্য কোন রাউটার বেস্ট হবে, কোনটি আপনার প্রয়োজন মেটাতে পারবে।

এছাড়াও যদি কোন তথ্য জানার থাকে তবে অবশ্যই পোস্টের নিচে কমেন্ট করে জানাবেন।

Search querry: Router, best router, top router, TP link, tenda, NetGear

ব্রাজিল বনাম সার্বিয়া হেড টু হেড | ফিফা বিশ্বকাপ কাতার 2022

ব্রাজিল বনাম সার্বিয়া হেড টু হেড

2022 বিশ্বকাপে অনেকের কাছে ফেভারিট হিসাবে বিবেচিত পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল এবার সার্বিয়ার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান শুরু করছে। গ্রুপ জি-তে রয়েছে ব্রাজিল, সার্বিয়া, সুইজারল্যান্ড ও ক্যামেরুন। এই গ্রুপে একমাত্র ব্রাজিলকেই শক্তিশালী দল হিসাবে মনে করেন ব্রাজিল সমর্থকগণ। তাদের দাবী ব্রাজিল এবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে তাদের হেক্সা মিশন সম্পন্ন করবে।

চার বছর আগে গ্রুপ পর্বে সেলেকাওরা ২-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে শীর্ষে উঠে আসার পর দুই দেশ একে অপরের সাথে পরিচিতি পুনর্নবীকরণ করবে।

ব্রাজিল বনাম সার্বিয়া হেড টু হেড | ফিফা বিশ্বকাপ কাতার 2022

বিশ্বকাপে ব্রাজিল এর চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের দল

গত ১৪ নভেম্বর ফিফা কর্তৃক আরোপিত সময়সীমার সাত দিন আগে, ৭ নভেম্বর Tite ব্রাজিল এর জন্য তার চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের স্কোয়াডের নাম ঘোষণা করেন।

তবে দলে স্থান পেয়েছে ৩৯ বছর বয়সী দানি আলভেস।

তাকে ড্যানিলোর ব্যাক-আপ বলে ধরে নেওয়া হয়েছে এবং টটেনহ্যামের এমারসন রয়্যালের তুলনায় তাকে বেশী পছন্দ করা হয়েছে। আলভেস কাতারে মাঠে নামলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হবেন এই ব্রাজিলিয়ান দানি আলভেস।

অনেক উত্তেজনাময় ব্রাজিল বনাম সার্বিয়া বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে রয়েছে সমর্থকগণ।

আসুন এক নজরে দেখে নেই

ব্রাজিলের ২৬ জনের চূড়ান্ত তালিকাঃ

Position No. Player Club Age Caps
GK 1 Alisson Liverpool (ENG) 30 56
GK 23 Ederson Manchester City (ENG) 29 18
GK 12 Weverton Palmeiras (BRA) 34 11
DEF 4 Marquinhos PSG (FRA) 28 70
DEF 14 Eder Militao Real Madrid (SPA) 24 23
DEF 3 Thiago Silva Chelsea (ENG) 38 108
DEF 2 Danilo Juventus (ITA) 31 46
DEF 16 Alex Telles Sevilla (SPA) 29 7
DEF 13 Dani Alves Pumas UNAM (MEX) 39 125
DEF 6 Alex Sandro Juventus (ITA) 31 37
DEF 24 Bremer Juventus (ITA) 25 1
MID 15 Fabinho Liverpool (ENG) 29 28
MID 5 Casemiro Manchester United (ENG) 30 64
MID 17 Bruno Guimaraes Newcastle United (ENG) 24 8
MID 8 Fred Manchester United (ENG) 29 27
MID 7 Lucas Paqueta West Ham (ENG) 25 34
MID 22 Everton Ribeiro Flamengo (BRA) 33 22
FWD 26 Gabriel Martinelli Arsenal (ENG) 21 3
FWD 20 Vinicius Jr. Real Madrid (SPA) 22 15
FWD 10 Neymar PSG (FRA) 30 120
FWD 19 Antony Manchester United (ENG) 22 10
FWD 21 Rodrygo Real Madrid (SPA) 21 6
FWD 11 Raphinha Barcelona (SPA) 25 10
FWD 9 Richarlison Tottenham (ENG) 25 37
FWD 25 Pedro Flamengo (BRA) 25 2
FWD 18 Gabriel Jesus Arsenal (ENG) 25 56

 

সার্বিয়া ২০১০ সাল থেকে নিজেদেরকে একটি শক্তিশালী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কাতার ২০২২ শেষ চারটি টুর্নামেন্ট থেকে তাদের তৃতীয় উপস্থিতির প্রতিনিধিত্ব করছে। ড্র্যাগান স্টোজকোভিচ তৃতীয় ম্যানেজার হিসেবে বিশ্বকাপে তাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। কারণ কোচদের বরখাস্ত করার জন্য তাদের খ্যাতি কম হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।আসুন এক নজরে দেখে নেই সার্বিয়ার ২৬ জনের চূড়ান্ত তালিকা।

Position No. Player Club Age Caps
GK 1 Marko Dmitrovic Sevilla (SPA) 30 19
GK 23 Vanja Milinkovic-Savic Torino (ITA) 25 7
GK 12 Predrag Rajkovic Mallorca (SPA) 27 28
DEF 13 Stefan Mitrovic Getafe (SPA) 32 34
DEF 2 Strahinja Pavlovic RB Salzburg (AUS) 21 22
DEF 5 Milos Veljkovic Werder Bremen (GER) 27 21
DEF 25 Filip Mladenovic Legia Warsaw (POL) 31 20
DEF 3 Strahinja Erakovic Red Star Belgrade (SER) 21 2
DEF 15 Srdjan Babic Almeria (SPA) 26 2
DEF 4 Nikola Milenkovic Fiorentina (ITA) 25 38
MID 17 Filip Kostic  Juventus (ITA) 29 50
MID 6 Nemanja Maksimovic  Getafe (SPA 27 40
MID 16 Sasa Lukic  Torino (ENG) 26 32
MID 14 Andrija Zivkovic  PAOK (GRE) 26 29
MID 22 Darko Lazovic  Verona (ITA) 32 26
MID 20 Sergej Milinkovic-Savic  Lazio (ITA) 27 36
MID 8 Nemandja Gudelj  Sevilla (SPA) 30 49
MID 26 Marko Grujic  Porto (POR) 26 18
MID 19 Uros Racic  Braga (POR) 24 9
MID 24 Ivan Ilic Verona (ITA) 21 6
FWD 9 Aleksandar Mitrovic  Fulham (ENG) 28 76
FWD 21 Filip Duricic  Sampdoria (ITA) 30 37
FWD 11 Luka Jovic  Fiorentina (ITA) 24 29
FWD 10 Dusan Tadic  Ajax (NED) 33 91
FWD 18 Dusan Vlahovic  Juventus (ITA) 22 17
FWD 7 Nemanja Radonjic  Marseille (FRA) 26 36

 

ব্রাজিল বনাম সার্বিয়া মুখোমুখিঃ

তারিখ প্রতিযোগিতার নাম ম্যাচ গোল জয়ী
০৬/০৬/২০১৪ ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডলী ব্রাজিলসার্বিয়া ১-০ ব্রাজিল
২৭/০৬/২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপ সার্বিয়া-ব্রাজিল ০-২ ব্রাজিল
২৪/১১/২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ ব্রাজিল-সার্বিয়া

 

ব্রাজিলের সর্বশেষ ৫ ম্যাচ

তারিখ প্রতিযোগিতার নাম ম্যাচ গোল জয়ী
২৮/০৯/২০২২ ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডলী ব্রাজিলতিউনিশিয়া ৫-১ ব্রাজিল
২৪/০৯/২০২২ ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডলী ব্রাজিলঘানা ৩-০ ব্রাজিল
০৬/০৬/২০২২ জাপানীজ চ্যালেঞ্জ কাপ জাপান-ব্রাজিল ০-১ ব্রাজিল
০২/০৬/২০২২ ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডলী সাউথ কোরিয়া-ব্রাজিল ১-৫ ব্রাজিল
৩০/০৩/২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব বলিভিয়া-ব্রাজিল ০-৪ ব্রাজিল

 

সার্বিয়ার সর্বশেষ ৫ ম্যাচ

তারিখ প্রতিযোগিতার নাম ম্যাচ গোল জয়ী
১৮/১১/২০২২ ইন্টারন্যাশনাল ফ্রেন্ডলী বাহরাইন-সার্বিয়া ১-৫ সার্বিয়া
২৮/০৯/২০২২ উয়েফা ন্যাশনস লীগ নরওয়ে-সার্বিয়া ০-২ সার্বিয়া
২৫/০৯/২০২২ উয়েফা ন্যাশনস লীগ সার্বিয়া-সুইডেন ৪-১ সার্বিয়া
১৩/০৬/২০২২ উয়েফা ন্যাশনস লীগ স্লোভেনিয়া-সার্বিয়া ২-২ ড্র
১০/০৬/২০২২ উয়েফা ন্যাশনস লীগ সুইডেন-সার্বিয়া ০-১ সার্বিয়া

 

 

Brazil vs Argentina head to head

Brazil vs Argentina head to head

Hi guys,

Today I will share an important article about Brazil vs Argentina head to head football statistics. Here you will know Brazil squad and Argentina squad. Brazil and Argentina football match is the most popular football match in the world. All competitive games played between the two sides in full, This page includes the biggest wins and losses in their head-to-head meetings as well as Head to Head stats across all competitions for Brazil vs Argentina.

Up until this point, Brazil and Argentina played 23 games. Brazil won 12 of them (11 at home, 1 away) whereas Argentina won 8 of them (three at away, five at home) and drew three of them (0 at Home Stadium, 3 at Away Stadium).

Brazil vs Argentina
Brazil vs Argentina

The two teams played a total of 5 games in the CONMEBOL qualification for the FIFA World Cup, with Brazil winning 2, Argentina winning 1, and the two teams drawing 2.

The two teams competed against one another in three CONMEBOL Copa America games prior to this match, with Brazil winning two and Argentina winning one.

The two teams played a total of four games in the international friendly, winning two, drawing two, and losing four.

The two sides played a total of seven games in the international club friendly, with Brazil winning three, Argentina winning three, and the two teams drawing one.

FIFA Confederation Cup

The two teams played a total of one match in the FIFA Confederations Cup, with Brazil winning one, Argentina losing one, and the two teams drawing one.

The two teams played a total of two games in the qualifier, with Brazil winning one, Argentina winning one, and neither team winning a game.

FIFA U20 World Cup

The two teams played a total of 1 games before to the FIFA U20 World Cup, with Brazil winning 1, Argentina losing 0, and no games ending in a draw.

Brazil’s head-to-head record versus other teams.

You are currently on a page where you may compare Brazil and Argentina’s teams before the game begins. If you want to know all update of all match, subscribe our web.

Updated Brazil vs Argentina head to head statistics on 2022-07-18 at 15:40.

Intel vs AMD? Which CPU is best?

Intel vs AMD? Which CPU is best?

For a good computer we must make a combination of good processor, good motherboard, graphics card, CPU etc. And if taking a laptop, a good processor must be ensured.

So, today we will discuss which computer processor is better Intel or Ryzen?

Intel vs AMD? Which processor is best?

We often get confused about which processor to use when building a CPU. There are many brands of processors available in the market today. Among them are Ryzen series of Intel and AMD companies. We basically choose between these two processors.

There are some things to know before buying a processor. And the most important thing for buying a processor is whether you will build a CPU for work or buy a laptop. The processor has to be decided based on the work which processor will be good for you.

It is not that one company’s processor will be good in all aspects and another company’s process will be bad in all aspects. Different companies have special features for different processors.

Let’s discuss in detail some important points between Intel and Ryzen company processors. Then you will understand yourself which processor is best for you.

A few years ago, Intel was at the top of the market. Because AMD’s processor used to heat up a lot. But the Ryzen series has come out of this problem. Now this series is competing with Intel, surpassing Intel in many cases. And that’s why we have to check today I will take Intel or Ryzen processor. Let us try to compare and see which processor will be better for you.

Price:

One of the points of comparison between Intel and Ryzen series processors is price. It can be seen that the price of Intel process is relatively higher than that of Ryzen series processors. Imagine if you can buy a Ryzen processor for Rs 15,000. Then if you want to buy a processor of the same specification of Intel, you will have to pay 18 thousand rupees or more. Intel has reduced the price a bit for now though. If you consider money aspect, Risen will be ahead.

Winner: AMD Processor

Gaming Performance:

If you are thinking of building a PC for gaming. Then Intel processor will be better. Because Intel’s processor will give better performance than Ryzen for gaming. Single core will give better performance in gaming. And since Intel’s processor is single core, on the other hand Ryzen processor is multi-core, you will get more smooth PC performance if you take Intel processor.

Winner: Intel Processor

Video Editing:

If you mainly want to do video editing work then Ryzen processor will be better for you. Because Ryzen is far ahead of Intel in terms of video editing, Intel processors are slightly behind in this regard. But Intel’s contemporary processors have come a long way in this regard. If you want to take Intel, you can take last generation processor.

Winner: AMD Processor

Basic User:

For those who take a PC for basic work, any processor will provide good performance. That is, Ryzen or Intel, you can take whatever you want. Because in this case both processors are better.

In this case, while choosing the processor, consider the price of the processor and the price of other hardware related to the processor such as motherboard, graphics card, RAM, ROM etc. You can take the processor that is convenient for you.

Winner: Draw

Laptop or computer is an important part of our life. It can be seen that most of our day is spent sitting in front of laptop or computer. Just as a good quality computer can make our work much easier and smooth, if your computer is not good it can put us in a lot of trouble. And PC performance largely depends on its processor power. Hence, the processor must be chosen according to your work.

The answer to the question which processor is better can be said in one sentence, Intel processor is better for playing games and Ryzen processor is better for video editing. So, now you decide which processor is best for you, which one you should go for, based on what you will be using it for.

লাভজনক ৫টি অনলাইন ব্যবসা-2022

 

লাভজনক ৫টি অনলাইন ব্যবসা কিভাবে করবো?

লাভজনক ৫টি অনলাইন ব্যবসা
লাভজনক ৫টি অনলাইন ব্যবসা

বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোন, কম্পিউটার সহজলভ্য হওয়ার কারণে অনেকেই ঘরে বসে অনলাইন ব্যবসায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আপনি চাইলে আপনার মেধা এবং দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেই অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে পারেন। অফলাইন ব্যবসা থেকে অনলাইন ব্যবসায় মানুষের বেশি অগ্রহ থাকার মূল কারণ হচ্ছে- অফলাইনে ভালো কোনো ব্যবসা করতে গেলে বেশি মুলধনের প্রয়োজন। তবে অনলাইনে ব্যবসায় এত বেশি মুলধনের প্রয়োজন নেই। অনলাইনে এমন কিছু ব্যবসা রয়েছে যা অল্প ইনভেস্ট বা বিনা ইনভেস্ট করার মাধ্যমেই শুরু করা যায়। তো চলুন লাভজনক ৫টি অনলাইন ব্যবসা সম্পর্কে জেনে নেই।

ডোমেইন ফ্লিপিং

বর্তমানে লাভজনক ৫টি অনলাইন ব্যবসা সম্পর্কে ভাবতে হলে এটা অবশ্যই প্রথম পছন্দ থাকতে হবে। কারণ অনলাইনে সামান্য ইনভেস্টে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হচ্ছে ডোমেইন ফ্লিপিং।

যেভাবে ডোমেইন ফ্লিপিং ব্যবসা শুরু করবেন

  • প্রথমে আপনি ডোমেইন হোস্টিং যেকোনো কোম্পানী যেমন: নেমচিপ,গোড্যাডি, হোস্টিংগার ইত্যাদি থেকে ডোমেইন ক্রয় করবেন।
  • ডোমেইন নেম ক্রয় করার পূর্বে আপনাকে অনেক যাচাই-বাছাই করে ক্রয় করতে হবে।
  • তারপর সেটা বিভিন্ন মার্কেট প্লেসে বিক্রি করতে পারবেন।
লাভজনক কিছু অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া
লাভজনক কিছু অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া

উদাহরণঃ একটি .com ডোমেইন কিনতে মাত্র ৮০০-৯০০ টাকার প্রয়োজন। এখন একজন লোক rvj .com ডোমেইন নেমটি কিনে Flippa বা dan বা sedo সাইটে বিক্রির জন্য পোস্ট করছে এবং মূল্য দিয়েছে ৫০০ ডলার। যা বাংলা টাকায় বর্তমানে ৫০,০০০ টাকার উপরে। এখন যদি কারো বা কোনো কম্পানির এই ডোমেনটি প্রয়োজন হয় তাহলে তারা এই দামে ডোমেইন নেমটি কিনে নিবে। এতে করে সে লোকটির ৪৯,০০০ টাকার বেশি লাভ হবে। এভাবে একটি ডোমেইন লাখ টাকায় ও বিক্রি হয়।

তেমনি আপনি যদি ভালো ডোমেইন নেম বাছাই করে কিছু ডোমেইন কিনে রাখেন তাহলে পরবর্তী সময়ে আপনি অনেক লাভে বিক্রি করতে পারবেন। এজন্যই ডোমেইন ফ্লিপিং কে বলা হয়ে থাকে বিনা পরিশ্রমে অনলাইনের সবচেয়ে সেরা লাভজনক ব্যবসা।

ঘরে বসে শিক্ষকতা করা

এটি কোনো ব্যবসার মধ্যে পড়ে না। তারপরও আপনি ঘরে বসে অনলাইনে শিক্ষকতা করার মাধ্যমে মাসে লাখ টাকার বেশি আয় করতে পারবেন।

অনলাইন থেকে টাকা আয় করার সহজ উপায় জেনে নিন

প্রথমে আপনি YouTube এ একটি চ্যানেল এবং Facebook এ একটি পেজ খুলে নিবেন। তারপর আপনি যে বিষয় ভালো পারেন সে বিষয়ে বিভিন্ন ক্লাসের পড়ার ভিডিও আপলোড করা শুরু করে দিবেন। তারপর যখন আপনার লেকচার গুলো জনপ্রিয় হতে শুরু করবে তখন আপনি ফেসবুক পেজ এবং ইউটিউব চ্যানেল থেকে মনিটাইজেশনের মাধ্যমে ভালো পরিমান টাকা আয় করতে পারেন। এছাড়া আপনার পেজ বা চ্যানেলের দর্শকদের অনলাইনে লাইভ ক্লাস করানোর মাধ্যমেও আয় করতে পারবেন। বর্তমানে অনলাইনে এমন অনেক শিক্ষক রয়েছে যারা এই প্রক্রিয়ায় মাসে কয়েক লাখ টাকার বেশি আয় করছে।

ভার্চুয়াল সহকারী

অনলাইনে ছোট-বড় অনেক কোম্পানী রয়েছে যাদের ভার্চুয়াল সহকারী প্রয়োজন হয়। যেমনঃ ডোমেইন-হোস্টিং কোম্পানীগুলোর লাইভ সাপোর্টের জন্য ভার্চুয়াল সহকারী নিয়োগ দিয়ে থাকে। যারা ২৪ ঘন্টাই তাদের সেলারদের লাইভ সাপোর্ট দিয়ে থাকে। তো আপনি একজন ভার্চুয়াল সহকারী হিসেবে অনলাইনে কাজ শুরু করে দিতে পারেন। অনলাইনে ভার্চুয়াল সহকারী হিসেবে কাজ করার জন্য অবশ্যই আপনার ইংরেজিতে দক্ষতা থাকা লাগবে। আর একজন ভার্চুয়াল সহকারীর মাসিক বেতন ৩০,০০-৩৫,০০০ পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে বাংলাদেশে এর পরিমাণ কম হতে পারে।

ওয়েবসাইট বিক্রি

আপনি ডোমেইন-হোস্টিং এবং থিম কিনে ওয়েববাইট তৈরি করে সেটা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করতে পারেন। আবার আপনি বায়ারের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করার মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিংও করতে পারেন। তো এই জব বা ব্যবসাটি করার জন্য আপনার ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে ধারণা থাকা লাগবে। আর ওয়েবসাইট বানানো এবং ওয়েব ডিজাইন শেখার জন্য YouTube এবং গুগলের সাহায্য নিতে পারেন। এটিও হতে পারে অপনার জন্য সেরা একটি লাভজনক অনলাইন ব্যবসা।

হাতের তৈরি জিনিস বিক্রি

আপনার হাতের তৈরি জিনিস অনলাইনে ভালো দামে বিক্রি করতে পারেন। আমাদের দেশে অনেক আগে থেকেই মাটি বা বাঁশের তৈরি কারুকাজ হয়ে আসছে। কিন্তু বর্তমানে এসব কারুকাজ বেশি দেখা যায় না। তো আপনি বা আপনার টিম এরকম কারুকাজ তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিক্রি করতে পারেন এবং ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

তো বন্ধুরা এই ছিল সেরা লাভজনক ৫টি অনলাইন ব্যবসা সম্পর্কে আইডিয়া। তো এরকম আরো অনলাইন ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে জানতে আমাদের সাইটে নিয়মিত ভিজিট করুন। কোন কিছু জানার বা জানানোর থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন।

পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা চেক করার উপায়

পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা চেক করার উপায়

আজকে আপনাদের সাথে পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা দেখার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করতে চলেছি।

যেকোনো দেশের পাসপোর্ট করার পর আমাদের বার বার পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করার প্রয়োজন পড়তে পারে। এক্ষেত্রে বাহিরে গিয়ে বার বার পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করাটা অনেকটা ঝামেলার।

আর তাই আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি কিভাবে আপনারা বাড়িতে বসে থেকে পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা চেক করবেন সেটি সম্পর্কে।

তো বাড়িতে বসে থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যদি আপনি আপনার পাসপোর্ট এর বর্তমান অবস্থা চেক করতে চান তবে আপনার প্রয়োজন হবে একটি স্মার্টফোনের সাথে ইন্টারনেট সংযোগ।

যদি এই দুটি আপনার কাছে থাকে তবে আপনি সহজে নিজের পাসপোর্ট এর অবস্থা চেক করে নিতে পারবেন। এইবার চলুন মূল আলোচনার মধ্যে আসা যাক।

পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা দেখার নিয়ম | Passport Check Online

আমরা মূলত দুটি পদ্ধতিতে পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম সম্পর্কে জানবো। আপনি যেকোনো একভাবে আপনার পাসপোর্ট এর বর্তমান অবস্থা চেক করতে পারবেন।

স্লিপ নাম্বার দিয়ে পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা চেক

পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে আপনাকে পাসপোর্ট অফিস থেকে যে স্লিপ নাম্বারটি দেওয়া হয়েছে আপনি সেটির সাহায্যে খুব সহজে বাড়িতে বসে থেকেই পাসপোর্ট এর বর্তমান অবস্থা চেক করে নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনার স্লিপ নাম্বারটি অবশ্যই প্রয়োজন হবে।

৫টি ভালোমানের এসএসডি Best quality SSD

নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন।

১. প্রথমত আপনাদের চলে যেতে হবে বাংলাদেশের অফিসিয়াল পাসপোর্ট এর ওয়েবসাইটে। মূলত এই সাইটেই আপনারা আপনাদের পাসপোর্ট স্ট্যাটাস সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন। প্রথমে আপনার মোবাইল থেকে যেকোনো একটি ব্রাউজারে চলে আসুন। আমি সাজেস্ট করবো Google chrome থেকে কাজটি সম্পন্ন করতে। সার্চ করুন Passport gov bd বা এখানে ক্লিক করুন।

২. Passport gov bd লিখে সার্চ করলেই আপনাদের সামনে প্রথম রেজাল্ট হিসেবে বাংলাদেশের অফিসিয়াল বা সরকারি পাসপোর্ট এর ওয়েবসাইটটি শো হবে। অতঃপর তাতে ক্লিক করুন। আপনাদের সুবিধার্থে নিচে ওয়েবসাইটের লিংকটি দিয়ে দিচ্ছি।

ওয়েবসাইটের লিংকঃ http://www.passport.gov.bd/

৩. ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর আপনার খুঁজে নিতে হবে Application Status নামের অপশনটি।এই ওয়েবসাইটের একটু নিচের দিকে স্ক্রল করলেই আপনারা এই অপশনটি দেখতে পারবেন। তারপর সেটিতে ক্লিক করুন।

পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা

৪. Application Status ক্লিক করলে এই পর্যায়ে দেখুন Enrolment ID নামের অপশন। মূলত এখানে আপনার পাসপোর্ট অফিস থেকে যে স্লিপ নাম্বার দেওয়া হয়েছিল সেটি দিতে হবে। সুতরাং প্রথমত আপনার স্লিপ নাম্বারটি সঠিকভাবে দিয়ে দিন। স্লিপ নাম্বারটি ঠিকভাবে দিতে হবে এবং এই পর্যায়ে Date of birth অপশনে আপনি আপনার জন্ম তারিখটি দিয়ে দিন।

৫. সর্বশেষ ধাপ হিসেবে ক্যাপচা ভেরিফিকেশন করতে হবে আপনাকে। প্রদত্ত ক্যাপচাটি সঠিকভাবে ভেরিফাই করার পর Search অপশনে ক্লিক করে দিন। আপনার স্লিপ নাম্বারটি এবং জন্ম তারিখটি যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে আপনি আপনার পাসপোর্ট স্ট্যাটাস আপডেট দেখে নিতে পারবেন।

Note: আপনাদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা ডেলিভারি স্লিপ নাম্বারটি খুঁজে পা়ননা। তো তাদের জন্য বলছি, পাসপোর্ট অফিসে যখন আপনি আবেদন কার্য সম্পাদন করেছেন তখন সেখানে আপনাকে একটি আইডি নাম্বার দেওয়া হয়েছে। যেটা হচ্ছে মূলত স্লিপ নাম্বার। যদি আপনি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আবেদন করে থাকেন তবে অবশ্যই আপনাকে একটি স্লিপ নাম্বার দেওয়া হবে।

এসএমএস দ্বারা পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম

উপরে আমরা স্লিপ নাম্বার দিয়ে পাসপোর্ট চেক করা সম্পর্কে জেনেছিলাম একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। তবে এইবার আপনাদের বলবো এসএমএস এর মাধ্যমে কিভাবে পাসপোর্ট চেক করবেন। পুরো বিষয়টা আপনাদের নিচে ধাপে ধাপে বলে দিচ্ছি।

১. প্রথমত চলে যেতে হবে আপনার ফোনের ডিফল্ট মেসেজ অ্যাপের মধ্যে। এবং ক্লিক করুন ‘Write a New Message’ অপশনে। অথবা যেকোন মোবাইল থেকে মেসেজ পাঠানোর অপশনে যান।

২. এই পর্যায়ে আপনার মেসেজ টাইপিং বক্সে লিখুন MRP, এরপর একটি স্পেস দিয়ে আপনার স্লিপ নাম্বারটি বা Enrollment ID number টি।

উদাহরণ: MRP 0123456789

৩. এনরোলমেন্ট নাম্বার দেওয়ার পর মেসেজটি পাঠিয়ে দিন 6969 নাম্বারে। মাথায় রাখবেন এনরোলমেন্ট বা স্লিপ নাম্বার যেটি দিয়েছেন সেটি যেন আপনার পাসপোর্ট এর সাথে মিল থাকে। নতুবা ফিরতি মেসেজে আপনি কোনো রিপ্লাই পাবেন না।

মেসেজ পাঠানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরতি রিপ্লাই হিসেবে আপনি আপনার পাসপোর্ট এর তথ্যগুলো পেয়ে যাবেন। এইভাবে মূলত সহজেই মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে আপনি এসএমএস এর মাধ্যমে আপনার পাসপোর্ট এর বর্তমান অবস্থা চেক করে নিতে পারবেন।

শেষ কথা

আজকে আমরা পাসপোর্ট এর বর্তমান অবস্থা চেক কিভাবে করতে হয় সে ব্যাপারে জানলাম। আশা করছি আপনারা সহজে কাজটি করতে পেরেছেন। তবে এই বিষয়ে যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

৫টি ভালোমানের এসএসডি Best quality SSD

৫টি ভালোমানের এসএসডি Best quality SSD

কম্পিটারের তথ্য সংরক্ষণের জন্য বর্তমানে সাধারণত দুই ধরনের স্টোরেজ পাওয়া যায়। একটি হচ্ছে হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ বা এইচডিডি এবং অন্যটি হচ্ছে সলিড স্টেট ড্রাইভ বা এসএসডি। এর মধ্যে এইচডিডি অপেক্ষাকৃত পুরনো প্রযুক্তির এবং এসএসডি অপেক্ষাকৃত নতুন প্রযুক্তির। বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন কোম্পানীর বিভিন্ন মডেলের এসএসডি রয়েছে। দাম ও কোয়ালিটিতে রয়েছে বেশ পার্থক্য। দাম ও কোয়ালিটির দিক দিয়ে কিছু কিছু এসএসডি বেশ ভালো। কি কারণে এই এসএসডি গুলো ভালো তা নিয়ে এই পোস্টটি সাজানো হয়েছে। আমরা আজকের আর্টিকেলে ৫টি ভালোমানের এসএসডি নিয়ে আলোচনা করবো। আশা করছি মূল্যবান সময় দিয়ে সাথে থাকবেন।

৫টি ভালোমানের এসএসডি

এসএসডি কেন ব্যবহার করবেন?

১. এসএসডি অপেক্ষাকৃত নতুন প্রযুক্তির।

২. এসএসডিতে রিডিং ও রাইটিং স্পিড তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।

৩. এসএসডি অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়।

৪. এসএসডি তুলনামূলকভাবে বেশি শক্তি সাশ্রয়ী।

৫. এসএসডি অনেক বেশি রিলায়েবল বা নির্ভরযোগ্য।

৬. এসএসডি ব্যবহারে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ অনেক বেশি দ্রুত ও স্মুথভাবে চলে।

৫টি ভালোমানের এসএসডি (Best quality SSD)

হার্ড ডিস্ক বা মেমোরি কার্ডের মতোই এসএসডিরও বিভিন্ন স্টোরেজ সাইজ হয়ে থাকে। এই আর্টিকেলে ৫টি ভিন্ন ধরনের স্টোরেজ সাইজ অনুযায়ী ৫টি এসএসডি নির্বাচন করা হয়েছে।

. Western Digital M.2

এক নজরে Western Digital M.2 এর বিস্তারিত:

  • স্টোরেজ সাইজ: ১৪০ গিগাবাইট। (২৪০ গিগাবাইটেও পাওয়া যায়)
  • ফর্ম ফ্যাক্টর: M.2 2280
  • ইন্টারফেস: SATA 6 GB/s
  • ওয়ারেন্টি: তিন (০৩) বছর।
  • এমটিবিএফ স্কোর: ১ মিলিয়ন ঘণ্টা

কম বাজেটে একটি ভালো মানের এসএসডি এটি। যারা কম খরচে পিসি বা ল্যাপটপের স্টোরেজ আপগ্রেড করার কথা ভাবছেন তাদের জন্য ভালো একটি অপশন হতে পারে এই এসএসডিটি।

. Adata XPG SX6000 Pro 256GB PCIe Gen3x4 M.2 2280 SSD

এক নজরে Adata XPG SX6000 Pro 256GB PCIe Gen3x4 M.2 2280 SSD এর বিস্তারিত:

  • স্টোরেজ সাইজ: ২৫৬ গিগাবাইট।
  • ফর্ম ফ্যাক্টর: M.2 2280
  • ইন্টারফেস: PCIe Gen3x4
  • ওয়ারেন্টি: পাঁচ (০৫) বছর।
  • রিড স্পিড: ২১০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড।
  • রাইট স্পিড: ১৫০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড।
  • এমটিবিএফ স্কোর: ২ মিলিয়ন ঘন্টা।

অ্যাডাটার এসএসডি বেশ ভালো মানের হয়ে থাকে। মিড বাজেটে এই এসএসডিটি বেশ ভালো মানের সার্ভিস দিবে।

. Samsung 980 500GB PCIe 3.0 M.2 NVMe SSD

এক নজরে Samsung 980 500GB PCIe 3.0 M.2 NVMe SSD এর বিস্তারিত:

  • স্টোরেজ সাইজ: ৫০০ গিগাবাইট।
  • ফর্ম ফ্যাক্টর: M.2 2280
  • ইন্টারফেস: PCIe Gen 3.0 x4, NVMe 1.4
  • ওয়ারেন্টি: তিন (০৩) বছর।
  • রিড স্পিড: ৩১০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড।
  • রাইট স্পিড: ২৬০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড।
  • এমটিবিএফ স্কোর: ১.৫ মিলিয়ন ঘণ্টা।

এসএসডির জগতে সবচেয়ে ভালো মানের এসএসডি তৈরি করে থাকে স্যামসাং। ৯৮০ সিরিজের এসএসডিগুলো স্যামস্যাংয়ের সবচেয়ে ভালোমানের এসএসডিগুলোর একটি। তাই নির্ভরতার সাথে এই এসএসডিটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

. Apacer AS2280Q4 1TB PCIe Gen 4×4 M.2 NVMe SSD

এক নজরে Apacer AS2280Q4 1TB PCIe Gen 4×4 M.2 NVMe SSD এর বিস্তারিত:

  • স্টোরেজ সাইজ: ১ টেরাবাইট
  • ফর্ম ফ্যাক্টর: M.2 2280
  • ইন্টারফেস: PCIe 4×4
  • ওয়ারেন্টি: তিন (০৩) বছর।
  • রিড স্পিড: ৫০০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড।
  • রাইট স্পিড: ৪৪০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড
  • এমটিবিএফ স্কোর: ১.৫ মিলিয়ন ঘণ্টা।

কম্পিউটারে হাই স্পিডের জন্য এই এসএসডিটি একটি ভালো অপশন হতে পারে। SATA এসএসডি’র তুলনায় এটি প্রায় দশ গুণ বেশি গতির পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম।

. Samsung 980 Pro 2TB PCIe 4.0 M.2 NVMe SSD

এক নজরে Samsung 980 Pro 2TB PCIe 4.0 M.2 NVMe SSD এর বিস্তারিত:

  • স্টোরেজ সাইজ: ২ টেরাবাইট
  • ফর্ম ফ্যাক্টর: M.2 2280
  • ইন্টারফেস: PCIe 4.0 x4 NVMe 1.3c
  • ওয়ারেন্টি: তিন (০৩) বছর।
  • রিড স্পিড: ৭০০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড।
  • রাইট স্পিড: ৫১০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড
  • এমটিবিএফ স্কোর: ১.৫ মিলিয়ন ঘণ্টা।

এটি স্যামসাংয়ের ফ্ল্যাগশিপ এসএসডি। যারা উচ্চগতিসম্পন্ন এবং বেশি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এসএসডি খুঁজছেন তাদের জন্য উপযুক্ত হবে এটি।

শেষকথা

পিসি বা ল্যাপটপ স্মুথলি চালানোর জন্য এসএসডির বিকল্প নেই। একটি এসএসডিই পারে আপনার পুরনো ডিভাইসটিকে আরও বেশি কর্মক্ষম করে তুলতে। তাই ভালো মানসম্পন্ন ব্র‍্যান্ডের এসএসডি ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। আজকের আর্টিকেলে আমরা এই বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলাম। হয়তো পাঠকের এর সাথে দ্বিমত থাকতে পারে।

ট্যাগ: ৫টি ভালো মানের এসএসডি, এসএসডি কেন ব্যবহার করবেন?, সলিড স্টেট ড্রাইভ, ভালো মানের এসএসডি চেনার উপায়, Best quality SSD, Why use SSD, Western Digital  SSD, Adata, Samsung 900, Samsung 980, Apacer.

টুইটারে ফলোয়ার বাড়ানোর উপায়: ৫টি সহজ পদ্ধতি

টুইটারে ফলোয়ার বাড়ানোর উপায়: টি সহজ পদ্ধতি

কিভাবে কোন এড না দিয়ে, টাকা খরচ না করে কিংবা হাজার হাজার অন্য একাউন্ট ফলো না করে

টুইটারে ফলোয়ার বাড়ানোর উপায় খুঁজছেন?

যদি বলি যে আমি আপনাকে টুইটার ফলোয়ার বাড়ানোর এমন কিছু উপায় শেখাতে পারি যা আসলে বেশ সহজ?

ঠিক আছে, এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমি আপনাকে সেরা ৫টি টুইটারে ফলোয়ার বাড়ানোর উপায় জানাবো যা অনলাইন মার্কেটিংয়ে এখন পর্যন্ত বেশ কার্যকর বলে প্রমাণিত।

টুইটারে ফলোয়ার বাড়ানোর উপায় সমূহ:

টুইটারে ফলোয়ার বাড়ানোর সহজ উপায়

. টুইটার প্রোফাইল অপ্টিমাইজ করুন

টুইটার ব্যবহারকারীদের আকর্ষণ করতে প্রথমেই আপনার টুইটার প্রোফাইল অপ্টিমাইজ করতে হবে। একটি প্রফেশনাল, আপ-টু-ডেট প্রোফাইল না থাকার কারণে আপনার সম্ভাব্য ফলোয়ারদের জন্য একটি বড় টার্ন অফ হতে পারে। অর্থাৎ আপনি অনেক নতুন ফলোয়ার পাওয়া থেকে বঞ্চিত থাকতে পারেন।

টুইটার প্রোফাইল ইমেজ আপনার একাউন্টের এমন একটি অংশ যা লোকেরা সম্ভবত প্রথমে লক্ষ্য করে এবং দেখে।

সুতরাং, আপনার ব্যবসা বা ব্র্যান্ডের জন্য উপযুক্ত হবে এমন একটি ছবি বেছে নিন। ভালো হয় যদি আপনার ব্যবসার কোনো প্রফেশনাল লোগো বানিয়ে প্রোফাইল ইমেজ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

তাছাড়া, আপনার প্রোফাইল ইমেজ আকার পরিবর্তন করাও একটি ভাল আইডিয়া। যদিও আপনি চাইলে উচ্চ-রেজোলিউশন ইমেজ ফাইল আপলোড করতে পারেন, তবে আপনার টুইটার প্রোফাইল ইমেজটি 400px x 400px এর চেয়ে বড় হওয়ার কোন দরকার নেই৷

আপনার প্রোফাইল অপ্টিমাইজ করতে টুইটার ইউজারনেম ঠিক করাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আপনার প্রতিটি টুইটের সাথে ইউজারনেম শো করবে। এছাড়া, আপনাকে সহজে খুঁজে পেতে কিংবা ট্যাগ করতেও ইউজারনেম ব্যবহৃত হয়। কিন্তু, আপনার ইউজারনেম যদি একাউন্টের নাম বা ব্যবসার সাথে মিল না রেখে রাখেন, তাহলে ব্যবহারকারীদের আপনাকে খুঁজে পেতে সমস্যা হবে।

সুতরাং, টুইটারে ফলোয়ার বাড়ানোর উপায় গুলোর মধ্যে প্রথম পদক্ষেপ হলো আপনার একটি অপ্টিমাইজড টুইটার প্রোফাইল তৈরি করা।

. টুইটারে সক্রিয় থাকুন

যদি আপনার লক্ষ্য টুইটার ফলোয়ার বাড়ানো হয়, তাহলে আপনি টুইটারে সক্রিয় থাকাকে কম গুরুত্বের সাথে নিতে পারেন না।

সপ্তাহে কয়েকবার বা এমনকি দিনে এক থেকে দুইবার পোস্ট করা যথেষ্ট নয় যেমনটা আপনি সম্ভবত Facebook এ করেন। আপনি নিয়মিত টুইট না করলে এমনকি বর্তমান টুইটার ফলোয়ারদেরও হারাতেও পারেন।

CoSchedule এর তথ্যানুযায়ী, টুইটারে ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন তিন থেকে সাত বার curated content (quotes and retweets) টুইট করা উচিৎ এবং আপনার নিজস্ব অরিজিনাল কন্টেন্টসহ প্রতিদিন প্রায় 15 টি টুইট করা উচিত।

. ভ্যালুয়েবল কন্টেন্ট

আপনি যখন টুইটার ফলোয়ার বাড়ানোর চেষ্টা করছেন তখন দুর্দান্ত ভ্যালুয়েবল কন্টেন্ট আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ভালো টুইট লাইক, কমেন্ট, শেয়ার এবং ফলোয়ার পায়। খারাপ টুইট ব্যবহারকারী ইগ্নোর করবে এটাই স্বাভাবিক।

তাহলে প্রশ্ন আসে, একটি খারাপ টুইট থেকে একটি ভাল টুইটকে কোন জিনিস আলাদা করে?

এক কথায় বলা যায় যে সেটা হচ্ছে ভ্যালু। 

প্রতিবার যখন আপনি টুইট করবেন, আপনাকে অবশ্যই আপনার ফলোয়ারদের ভ্যালু প্রদান করতে হবে।

কারণ যখন ব্যবহারকারী আপনার বিষয়বস্তু মূল্যবান, প্রয়োজনীয় এবং প্রাসঙ্গিক বলে মনে করেন, তখনই আপনার টুইট দেখা ব্যবহারকারীগণ আপনার ব্র্যান্ডের সাথে সংযুক্ত হওয়ার জন্য ফলো করতে চাইবে।

. সঠিক টুইট পিন করুন

আপনার প্রোফাইলে পিন করার জন্য সঠিক টুইটটি বেছে নিন। কেননা, একটি টুইট পিন করা মানে হলো সেই টুইটটিতে একটি স্পটলাইট স্থাপন করা।

যে কেউ আপনার টুইটার প্রোফাইলে প্রথমবার প্রবেশ করলে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এই পিন করা টুইটটিই সবচেয়ে বেশি কাজে আসবে।

ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বা ভিজিটর বাড়ানোর উপায়

আপনার প্রোফাইলে পিন করার জন্য সঠিক টুইটটি বেছে নিতে কিছু বিষয় খেয়াল করুন:

  • প্রথম কৌশল হলো এমন একটি টুইট পিন করুন, যা খুব ভালো পারফর্ম করেছে।
  • আপনার ব্যবসার সাথে জড়িত কোন অস্থায়ী বিজ্ঞাপন বা আসন্ন ইভেন্ট হাইলাইট করছে এমন একটি টুইট পিন করতে পারেন।
  • পিন করার জন্য সঠিক টুইট বেছে নেওয়ার আরেকটি কৌশল হলো এমন একটি টুইট বাছাই করা যা আপনার ব্যবসা বা ব্র্যান্ডকে পরিচিত ও প্রচার করতে সহায়ক।
  • অন্য কোন ব্রান্ড একাউন্ট থেকে আপনার ব্রান্ডকে নিয়ে করা পজিটিভ রিভিউ রিটুইট করে পিন করতে পারেন।
. কমেন্টস এবং মেনশন গুলোতে দ্রুত রেস্পন্স করুন

উত্তর দেওয়া অবশ্যই এই টুইটার ফলোয়ার বাড়ানোর উপায়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরও বটে।

যখন একজন ব্যবহারকারী আপনাকে মেনশন করে টুইট করে বা আপনার টুইটে মন্তব্য করে, তখন যতটা দ্রুত সম্ভব উত্তর দিন।

এতে ব্যবহারকারীকে আপনি স্বীকৃতি ও গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে তিনি ধরে নিবেন।

আপনি যদি এই কনভার্সেশনটুকু কোনোভাবে স্মরণীয় করে রাখতে পারেন, তাহলে তারা সক্রিয়ভাবে ভবিষ্যতে আপনার বিষয়বস্তু খুঁজে পেতে সার্চ করবে এবং আপনার টুইটার একাউন্টের একটিভ ফলোয়ার হবে। তাই একটু ব্যক্তিত্ব দেখাতে ও বিনয়ী হতে ভয় পাবেন না।

কেন টুইটারে ফলোয়ার বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ?

অবশ্যই, ফেসবুক সবচেয়ে বড় সামাজিক নেটওয়ার্ক যার অনেক বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে। তবে আপনার টুইটারের গুরুত্বকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়। এটি নিঃসন্দেহে একটি গ্লোবাল পাওয়ার হাউস।

আমেরিকানদের প্রায় এক-চতুর্থাংশ নিয়মিত টুইটার ব্যবহার করে, এবং টুইটারের বেশিরভাগই আন্তর্জাতিক ব্যবহারকারী। এর মানে হল যে টুইটার আপনাকে বিশ্বব্যাপী দর্শক ও ভিজিটরদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ করে দেয়। এজন্য আপনাকে টুইটার ফলোয়ার বাড়ানোর উপায়গুলো এখন থেকেই প্রয়োগ করে টুইটার একাউন্ট গ্রো করার চেষ্টা করতে হবে।

 

কবিতা: বিজয়ের উল্লাসে – মোঃ মামুন মিয়া

বাংলাদেশ;

সে আজ বিজয়ের উল্লাসে মেতেছে

শহীদ মিনারের হলদে গাদায় শিশুর কোল নেচেছে

রক্ত জবার হাসিতে পথ শিশুর মুখে তাই হাসি আজ ফুটেছে।

 

শহীদ মিনার;

কালে কালে ফুলে ফুলে তোমাদের স্বরণে নত মস্তকে রয়েছে দাঁড়িয়ে।

টুপি মাথায় পাঞ্জাবি গায়ে বক্ষে তার লাল সবুজের পতাকায় চিনেছে বিশ্ব;

আমরা দাঁড়িয়েছি এক কাতারে।

 

১৬ই ডিসেম্বর;

সে তো অন্য দিনের মতো শুধু একটা দিন নয়

এ দিন তো বিশ্ব জেনেছে বাংলাকে বাংলা জানিয়েছে তার বীরত্বের পরিচয়।

বিজয় দিবসের বিজয়ের উল্লাসে-

পতাকা হাতে শিশু হাসে বাপের কাঁধে এক হাতে পতাকা তার,

হেঁটে চলেছে ছোট্ট দাদু; দাদুর আঙ্গুলে আঙ্গুল ধরে।

প্রভাত ফেরীতে কেটে যায় পৌষের কুয়াশা

এ জাতি মাথা নোয়াবার নয় আছে যারা সংশয়ে

বিজয়ের উল্লাসে কাটুক তাদের ধোঁয়াশা।