বহিপীর নাটকের অনুধাবনমূলক প্রশ্নোত্তর

Table of Contents

বহিপীর নাটকের অনুধাবনমূলক প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন- হাতেম আলি একটু ভরসা পেয়েছিল কেন? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তরঃ- হাতেম আলি একটু ভরসা পেয়েছিল কারণ, বহিপীর তার দুঃখের কথা শুনতে চেয়েছিল।খাজনা বাকি পড়ায় হাতেম আলির জমিদারি সূর্যাস্ত আইনে নিলামে উঠেছিল বলে তিনি শহরে অর্থ সংগ্রহে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরে আসার পর তার মুখ খুব বিষণ্ণ দেখাচ্ছিল। তার দুঃখের কথা বহিপীর শুনতে চেয়েছিলেন। এজন্য হাতেম আলি একট ভরসা পেয়েছিল।

 

প্রশ্ন- হাতেম আলির জমিদারি শেষ হতে চলছিল কেন?

উত্তরঃ- খাজনা বাকি পড়ায় সূর্যাস্ত আইনে নিলাম ওঠায় হাতেম আলির জমিদারি শেষ হতে চলছিল।হাতেম আলির রেশমপুরে কিঞ্চিত জমিদারি ছিল। একসময় এ জমিদারের নামডাক ছিল ও তার আয়ও ছিল প্রচুর। কিন্তু খাজনা বাকি পড়ায় তার জমিদারি নিলামে উঠেছিল। আর এজন্যই হাতেম আলির জমিদারি শেষ হতে চলেছিল।

 

প্রশ্ন- হাশেম তাহেরাকে অভয় দিয়েছিল কীভাবে? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তরঃ- ‘আমি কথা দিচ্ছি পীর সাহেবের সাথে আপনাকে ফিরে যেতে হবে না’- হাশেম এ কথা বলে তাহেরাকে অভয় দিয়েছিল। তাহেরা পীর সাহেবের সঙ্গে কিছুতেই যাবে না। প্রয়োজনে সে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে মরবে তবুও যাবে না। এ কথা জানার পর হাশেম তাকে চিন্তা ও ভয় করতে নিষেধ করে। পীর সাহেবের সঙ্গে তাকে ফিরে যেতে হবে না বলে সে তাহেরাকে অভয় দিয়েছিল।

 

প্রশ্ন- বহিপীরের একাকী বসে থাকতে ভালো লাগছিল না কেন?

উত্তরঃ- সর্বদা ওয়াজ নছিয়ত করা তার অভ্যাস এবং কারো সঙ্গে কথা না বলে তিনি বেশিক্ষণ থাকতে পারেন না বলে বহিপীরের ভালো লাগছিল না। বজরার সঙ্গে নৌকার ধাক্কা লাগার পর ভাগ্যক্রমে বহিপীর বজরায় স্থান পান এবং সেখানে আতিথ্য গ্রহণ করেন। বহিপীরের সর্বদা ওয়াজ নছিয়ত করার অভ্যাস। কারো সঙ্গে কথা না বলে তিনি বেশিক্ষণ থাকতে পারেন না। এজন্য বহিপীরের একাকী বসে থাকতে ভালো লাগছিল না।

 

প্রশ্ন- কোন দুঃসংবাদ নাইতো জমিদার সাহেব- বহিপীর সাহেব এ কথা কেন বলেছিলেন?

উত্তরঃ- ‘কোন দুঃসংবাদ নাইতো জমিদার সাহেব’- বহিপীর এ কথা বলেছিলেন কারণ, হাতেম আলি ফিরে আসার পর তার মুখে চিন্তার রেখা ফুটে উঠেছিল।হাতেম আলি চিকিৎসার অজুহাতে শহরে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরে আসার পর তাকে চিন্তিত দেখাচ্ছিল। তাছাড়া শরীর আরো দুর্বল লাগছিল বলে লাঠি হাতেই তিনি বেঞ্চির ওপর নীরব হয়ে বসে থাকেন। তার এ অবস্থা দেখে বহিপীর বলেছিলেন যে, ‘কোন দুঃসংবাদ নাইতো জমিদার সাহেব।’

 

প্রশ্ন- হাতেম আলি শহরে গিয়েছিলেন কেন?

উত্তরঃ- বন্ধুর কাছ থেকে টাকা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে হাতেম আলি শহরে গিয়েছিলেন।হাতেম আলি একজন ক্ষয়িষ্ণু জমিদার। খাজনা বাকি পড়ায় তার জমিদারি নিলামে উঠেছিল। তার আশা ছিল, কোনো প্রকারে যথেষ্ট অর্থ যোগাড় করতে পারলে শেষ পর্যন্ত জমিদারি নিলামে চড়াটা বন্ধ করতে পারবেন। আর এজন্য তিনি শহরে গিয়েছিলেন।

 

প্রশ্ন- বহিপীর সাহেব হাতেম আলিকে খোদার ওপর তোয়াক্কা রাখতে। বলেছিলেন কেন?

উত্তরঃ- বহিপীর সাহেব হাতেম আলিকে খোদার ওপর তোয়াক্কা রাখতে বলেছিলেন কারণ, তার মতে দুনিয়াটা মস্ত বড় একটি পরীক্ষা ক্ষেত্র, যেখানে খোদা কাকে কীভাবে পরীক্ষা করেন তা বোঝার ক্ষমতা নেই। খাজনা বাকি পড়ার কারণে হাতেম আলির জমিদারি নিলামে উঠেছিল। হাতেম আলি বন্ধুর কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন কিন্তু বন্ধু সাহায্য দিতে অস্বীকার করে। ফলে তার শেষ আশাটুকু নিরাশায় পরিণত হওয়ায় তিনি আক্ষেপ করতে থাকেন। এজন্য বহিপীর সাহেব হাতেম আলিকে ‘খোদার উপর তোয়াক্কা রাখতে’ বলেছেন, কারণ, দুনিয়াটা মস্ত বড় পরীক্ষা ক্ষেত্র। যেখানে খোদা কাকে কীভাবে পরীক্ষা করেন তা বোঝা যায় না।

 

প্রশ্ন- পীর সাহেবের পুনর্বার বিয়ে করার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ- পীর সাহেবের পুনর্বার বিয়ে করার কারণ খেদমতের জন্য একজন আপন লোকের প্রয়োজন। পীর সাহেব সারা বছর বিভিন্ন জেলায় তার মুরিদদের বাড়িতে ঘুরে বেড়ান। আর সেখানে তার অনুসারীরা তাকে অনেক খেদমত করে। কিন্তু তার খেদমতের জন্য একজন আপন লোকের প্রয়োজন আছে। আর এজন্য বহিপীর পুনর্বার বিয়ে করেছিলেন।

 

প্রশ্ন- পীর সাহেব মুরিদকে পুলিশে খবর দিতে নিষেধ করেছিলেন কেন?

উত্তরঃ- পুলিশে খবর দিলে আইনি ঝামেলা হতে পারে ভেবে পীর সাহেব মুরিদকে পুলিশে খবর দিতে নিষেধ করেন।বহিপীর তার এক মুরিদের কন্যা তাহেরাকে বিয়ে করেন। কিন্তু তাহেরা তা মেনে না নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। তখন তাহেরার বাবা পুলিশে খবর দিতে চান। তবে পীর সাহেব মুরিদকে পুলিশের নিকট খবর দিতে নিষেধ করেছিলেন কারণ পুলিশে খবর দিলে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যা তিনি চান না।

বহিপীর নাটকের অনুধাবনমূলক প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন- পীর সাহেবের মনে কোনো সন্দেহ ছিল না কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ- ডেমরা-ঘাট থেকে যে মেয়েটিকে বজরায় তোলা হয়েছে, সেই মেয়েটিই তার পলাতক বিবি, এ বিষয়ে পীর সাহেবের মনে কোনো সন্দেহ ছিল না। পীর সাহেব তার মুরিদের মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন। তার বিবি যাকে তিনি দেখেননি সে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল। আর ডেমরার ঘাট থেকে সে বজরায় আশ্রয় পেয়েছিল। এজন্য ডেমরার ঘাট থেকে বজরায় যে মেয়েটিকে তোলা হয়েছে, সেই মেয়েটিই যে তার পলাতক বিবি, এ বিষয়ে পীর সাহেবের মনে কোনো সন্দেহ ছিল না।

বহিপীর নাটকের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন-

প্রশ্ন- বহিপীর ‘নিশানাটি’ বলতে কী বুঝিয়েছেন?

উত্তরঃ- বহিপীর নিশানাটি বলতে তার বিবির চাচাতো ভাইকে বুঝিয়েছেন। বহিপীরের সঙ্গে বিয়ে হওয়ায় তার বিবি নাবালক চাচাতো ভাইকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল। তবে তার বিবি ও তিনি বজরায় ৩ আশ্রয় নিয়েছিল। আর বজরার মেয়েটি তার বিবি কিনা তার জন্য চাচাতো ভাইটিকে দরকার ছিল। কিন্তু চাচাতো ভাই না থাকায় বলেছিলেন যে নিশানাটি হারিয়ে মুশকিলে পড়েছেন।

 

প্রশ্ন- হাশেম তাহেরাকে কীভাবে বাঁচাতে চেয়েছিল?

উত্তরঃ- হাশেম বিয়ে করে হলেও তাহেরাকে বাঁচাতে চেয়েছিল। বৃদ্ধ পীরের সঙ্গে বিয়ে হওয়ায় তাহেরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল এবং সে কিছুতেই বহিপীরের, সঙ্গে যাবে না বলে সংকল্প করেছিল। তাহেরা বজরায় আশ্রয় নিলে হাশেম তার মানসিক অবস্থা বুঝতে পেরে তাকে সাহায্য করতে চেয়েছিল। এ ব্যাপারে হাশেমের মা তাকে নিষেধ করেছিল। কিন্তু হাশেম বিয়ে করে হলেও তাহেরাকে বাঁচাতে চেয়েছিল।

 

প্রশ্ন- হাতেম আলির বুকে সাহস ছিল না কেন?

উত্তরঃ- হাতেম আলি জমিদারি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হতে চলেছেন। সে সম্পর্কে সন্তান ও স্ত্রীকে বলার মতো সাহস তার ছিল না। খাজনা বাকি পড়ায় হাতেম আলির জমিদারি নিলামে উঠেছিল। আর একবার জমিদারি চলে গেলে তা কখনো ফিরে পাওয়া যাবে না। একবার সর্বস্বান্ত হলে আর মাথা তুলে দাঁড়ানো যাবে না। এজন্য হাতেম আলির বুকে কোনো সাহস ছিল না।

 

 প্রশ্ন- বহিপীর তার বিবিকে উদ্ধার করার জন্য এত প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন কেন?

উত্তরঃ- বহিপীর তার বিবিকে উদ্ধার করার জন্য এত চেষ্টা করেছিলেন কারণ, তার মতে, একবার দায়িত্ব গ্রহণ করলে সে দায়িত্ব পালন করা একান্ত ফরজ হয়ে পড়ে। বৃদ্ধ পীরের সঙ্গে বিয়ে হওয়ায় তার বিবি বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল। কিন্তু তিনি তার বিবিকে কখনও দেখেননি। তবুও তিনি তার বিবিকে উদ্ধারের জন্য অনেক চেষ্টা করেছিলেন। এর কারণ হলো তিনি মনে করেন একবারbদায়িত্ব গ্রহণ করলে সে দায়িত্ব পালন করা ফরজ হয়ে পড়ে।

 

প্রশ্ন- তাহেরাকে পীর সাহেবের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল কেন?

উত্তরঃ- তাহেরাকে পীর সাহেবের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ, তার বাবা ও সৎমা পীর সাহেবকে খুশি করতে চেয়েছিলেন।পীর সাহেব সারা বছর বিভিন্ন জেলায় তার মুরিদদের বাড়িতে বাড়িতে ঘুরে বেড়াতেন। আর তার মুরিদরা তার খেদমতের জন্য নানা আয়োজনের ব্যবস্থা করত। এ কারণে তাহেরাদের বাড়িতে পীর সাহেব এলে তার বাবা ও সত্মা পীরের খুশির জন্য তাহেরাকে তার সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলেন।

 

প্রশ্ন- ‘আমি খাল কেটে ঘরে যেন কুমির এনেছি’- খোদেজা এ কথা কেন বলেছিল?

উত্তরঃ- ‘আমি খাল কেটে ঘরে যেন কুমির এনেছি’ খোদেজা এ কথা বলেছিল। কারণ, হাশেম তাহেরাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল।এক বৃদ্ধ পীরের সঙ্গে বিয়ে হওয়ায় তাহেরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে এসে বজরায় আশ্রয় পেয়েছিল। আর ভাগ্যক্রমে পীর সাহেব সেই বজরায় এসে উপস্থিত হন এবং জানতে পারেন তার বিবি এখানে রয়েছেন, তাই তিনি বিবিকে নিয়ে যেতে চান। তবে তার বিবি এতে অস্বীকৃতি জানায় এবং হাশেম তার মানসিক অবস্থা বুঝতে পেরে তাকে বিয়ে করতে চায়। এজন্য খোদেজা বলেছিল যে তিনি খাল কেটে ঘরে যেন কুমির এনেছে।

 

প্রশ্ন- খোদেজা অবাক হয়েছিল কেন?

উত্তরঃ- তাহেরার অকৃতজ্ঞতা দেখে খোদেজা অবাক হয়েছিল। এক বৃদ্ধ পীরের সঙ্গে বিয়ে হওয়ায় তাহেরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে হাশেমদের বজরায় আশ্রয় পেয়েছিল। ভাগ্যক্রমে পীর সাহেব সেখানে গিয়ে তার বিবিকে নিয়ে আসতে চাইলে সে অস্বীকৃতি জানায়। তখন তাহেরাকে বাঁচাতে হাশেম বিয়ে করতে চাইলে সে তাতে রাজি হয়নি। আর তাহেরার এ অকৃতজ্ঞতা দেখে খোদেজা অবাক হয়েছিল।

 

 প্রশ্ন- পীর সাহেবের ছায়ায় বাস করা সৌভাগ্যের কেন?

উত্তরঃ- পীর সাহেবেরা খোদার বাণী মানুষের নিকট পৌঁছে দেন এবং খোদার ইবাদত করেন বলে তার ছায়ায় বাস করা সৌভাগ্যের।পীর সাহেব সারা বছর বিভিন্ন জেলায় তার অনুসারীদের বাড়িতে বাড়িতে ঘুরে বেড়ান এবং খোদার বাণী পৌঁছে দেন। পীর সাহেব অনেক পুণ্যবান মানুষ এবং তিনি সকলের মঙ্গল কামনা করেন। তাই বহিপীরের কাছে তাহেরা ফিরে গেলে সুখে শান্তিতেই থাকবে। এজন্য খোদেজা বলেছিল যে পীর সাহেবের ছায়ায় বাস করা সৌভাগ্যের ব্যাপার।

 

প্রশ্ন- হাশেমের মতে পীর সাহেবের পক্ষে কথা বলাটা যুক্তিসঙ্গত হতো কেন

উত্তরঃ- পীর সাহেবের সংসার করে যদি তাহেরা পালিয়ে যেত তাহলে পীর সাহেবের পক্ষে কথা বলাটা হাশেমের মতে যুক্তিসঙ্গত হতো।এক বৃদ্ধ পীরের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কারণে তাহেরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল। কিন্তু ঘটনাক্রমে পীর সাহেবও বজরায় তার বিবির খোঁজ পেয়ে তাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু পীর সাহেবের বিবি এতে অস্বীকৃতি জানায় কারণ, সে তার সংসার করেনি। এজন্য হাশেমের মতে, মেয়েটি যদি পীর সাহেবের সংসার করত তাহলে পীর সাহেবের পক্ষে কথা বলাটা যুক্তিসঙ্গত হতো।

 

প্রশ্ন- হাশেম তাহেরার জীবন বাঁচিয়েছিল কীভাবে?

উত্তরঃ- হাশেম তাহেরাকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে তার জীবন বাঁচিয়েছিল। এক বৃদ্ধ পীরের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার কারণে তাহেরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল এবং হাশেমদের বজরায় আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু হাতেম আলির জমিদারি বাঁচাতে সে আবার বহিপীরের কাছে ফিরে যেতে চেয়েছিল। আর তখন হাশেম পীরের হাত থেকে বাঁচাতে তাহেরাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। আর এভাবেই হাশেম তাহেরার জীবন বাঁচিয়েছিল।

 

প্রশ্ন- ‘বহিপীর’ নাটকের নাম ‘বহিপীর’ রাখার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ- ‘বহিপীর’ নাটকের প্রধান চরিত্র বহিপীরের নাম অনুসারে ‘বহিপীর’ নাটকের নামকরণ করা হয়েছে।পীর সারা বছর বিভিন্ন জেলায় তার অনুসারীদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়াতেন। আর এক এক এলাকায় এক এক ধরনের ভাষা ছিল। তাই তিনি বিভিন্ন এলাকার ভাষা শিক্ষা না করে বইয়ের ভাষায় কথা বলায় তার নাম হয়েছে ‘বহিপীর’ বহিপীর নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র বলে এই নাটকের নামকরণ করা হয়েছে বহিপীর।

 

প্রশ্ন- বহিপীরের দুঃখের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ- বহিপীরের দুঃখের কারণ স্ত্রীর সঙ্গে দেখা হবার আগেই তার সত্রী তাকে ছেড়ে পালিয়ে যায়।পীর সারা বছর বিভিন্ন জেলাতে ঘুরে বেড়াতেন। তার কোনো সন্তান-সন্ততিও নেই বলে তার দেখাশুনার জন্য আপনজন কেউ ছিল না। আর এ কারণে বৃদ্ধ বয়সে খেদমত পাওয়ার জন্য তিনি বিয়ে করেছিলেন। তবে বহিপীরের দুঃখ হলো যে বিবির সঙ্গে দেখা হবার আগেই বিবি পালিয়ে যায়।

 

প্রশ্ন- বহিপীর তার বিবিকে ছেড়ে চলে যাননি কেন?

উত্তরঃ- বহিপীর তার বিবিকে ছেড়ে চলে যাননি কারণ তার বিবির মধ্যে এক অসাধারণ নারীর পরিচয় পেয়েছেন।তাহেরা তার স্বামী পীর সাহেবকে ছেড়ে পালিয়ে অতিশয় বীরত্বের পরিচয় দিয়েছে। কেননা একজন নারী সহজে এই কাজটা করতে পারে না। এজন্য বহিপীর তার বিবির অসাধারণ নারীত্বের জন্য তাকে ছেড়ে চলে যাননি।

আদা খাওয়ার ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা