আধুনিক ৫টি সেরা ফটো এডিটিং অ্যাপস

ফটো এডিটিং অ্যাপস

বর্তমান প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের কাছে আজকাল ছবি তোলা বা এডিটিং করা একটি ফ্যাশন হয়ে উঠেছে। যার কারণে তারা প্রতিনীয়ত তালাশ করছে ফটো এডিটিং অ্যাপস বা সফটওয়্যার সম্পর্কে। আর সেই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন কোম্পানীগুলো প্রতিনিয়ত নিয়ে আসছে আধুনিক সব ছবি এডিটিং করার অ্যাপ্লিকেশন। আজ আমরা সেই রকম ৫টি সেরা ও আধুনিক ছবি এডিটিং অ্যাপ সম্পর্কে আলোচনা করব। তাই সম্পূর্ণ পোস্টটি অব্যশই মনযোগ সহকারে পড়বেন। আধুনিক ৫টি সেরা ফটো এডিটিং অ্যাপস সম্পর্কে জেনে নিনঃ

 

Canva

আমাদের সেরা অ্যাপের তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছে Canva অ্যাপ বা ওয়েবসাইট। এটির বর্তমান গুগল প্লে স্টোর ডাউনলোড প্রায় ১০কোটি। যেটা যে কারো চোখকে কপালে তুলে দিতে বাধ্য। অ্যাপটি শুধু বাংলাদেশই নয় সারা বিশ্ব জুড়ে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে খুব কম সময়ে। এটির অনেকগুলো ফ্রি সার্ভিস রয়েছে যেটা ব্যবহার করে আপনি আপনার ছবি এডিটিং সহ লোগো, ব্যানার, অ্যাডস, তৈরির মত অসংখ্য কাজ করতে পারবেন। এছাড়াও অ্যাপটি ব্যবহার করে আপনি ক্লিকেবল ইমেজ তৈরি, GIF ফাইল তৈরি, শর্ট ভিডিও অ্যাডস তৈরির মত অসংখ্য কাজ করতে পারবেন খুব সহজে।

এছাড়াও অ্যাপটির রয়েছে কিছু পেইড সার্ভিস যেটি ব্যবহার করে আপনি যে কোন ধরণের Pro image এডিটিং এর কাজ করতে পারেন। এটি অ্যান্ড্রয়েড, পিসি, ল্যাপটপ, কম্পিউটার সহ সকল ডিভাইসে ব্যবহার করার যোগ্য।

PixelLab

বর্তমান সময়ের সেরা ছবি এডিটিং এর তালিকায় নিজেকে স্থান করে নিয়েছে PixelLab সফটওয়্যারটি। যেটি ব্যবহার করে আপনি কোন অভিজ্ঞাতা ছাড়াই তৈরি করে নিতে পারেন অসাধারণ সব থাম্বনেইল, লোগো, ব্যানার ইত্যাদি। অ্যাপটি ব্যবহার করে বর্তমানে অধিকাশং ইউটিউবার ও ব্লগার তাদের সাইট গুলোর জন্য থাম্বনেইল ও ব্যনারা তৈরির কাজটি করছেন। তাই আপনি ও যদি একজন ব্লগার বা ইউটিউবার হন তাহলে অ্যাপটি আপনার জন্য সেরা হতে পারে। 

এছাড়াও বর্তমানে অনেক ক্ষুদ্র ফ্রিল্যান্সার এই অ্যাপটি ব্যাবহার করে অনলাইন মার্কেটে লোগো তৈরি ও ব্যনার তৈরির কাজ করে মাস শেষে ইনকাম করছে হাজার হাজার ডলার। অ্যাপটির বর্তমান গুগল প্লে স্টোর ডাউনলোড প্রায় ৫ কোটি। কাজেই বুঝতেই পারছেন অ্যাপটির জনপ্রিয়তা কেমন। 

Adobe lightroom

আমাদের সেরা ছবি এডিটিং এর তালিকায় ৩ নাম্বারে রয়েছে Adobe lightroom অ্যাপ্লিকেশনটি। এটিও একটি অসাধারণ ছবি এডিটিং সফটওয়্যার। এটির প্রতিষ্ঠাতা Adobe Inc. আপনি এটি  ব্যবহার করতে পারেন Windows, Android, iOS, macOS, এবং tvOS (Apple TV) মত ডিভাইসে। এর প্রাথমিক ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে আমদানি, সংরক্ষণ, দেখা, সংগঠিত করা, ট্যাগিং, সম্পাদনা এবং ভাগ করা মত অংসখ্য সার্ভিস।

অ্যাপটির বর্তমান গুগল প্লে স্টোর ডাউনলোডার প্রায় ১০ কোটি। এটি ব্যবহার করে যে কোন ছবির ব্যবকগ্রাউন্ট চেন্জ, কালার করা , ব্লার করা সহ অসংখ্য কাজ করতে পারবেন খুব সহজে। 

PickU

আমাদের আলোচনার তালিকার ৪ নম্বারের অ্যাপটিও বর্তমান সময়ে খুব জনপ্রিয় একটি অ্যাপ্লিকেশন, এটিতে রয়েছে Auto Blur, Photo frame, Change Background সহ অসংখ্য ফ্রি সার্ভিস।

অ্যাপটি আপনি গুগল প্লে স্টোর থেকে খুব সহজে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। অ্যাপটি ব্যবহার করে মুহূর্তেই আপনি নিজের ছবি কে এডিট করে অসাধারণ রুপ দিতে পারেন। এটির বর্তমান গুগল প্লে স্টোর ডাউনলোড প্রায় ১ কোটির ও বেশি।

3DLUT mobile

আমাদের আজকের আলোচনার সর্বশেষ ছবি এডিটিং অ্যাপ্লিকেশনটি হল 3DLUT mobile অ্যাপ্লিকেশন। এটি আপনি গুগল প্লে স্টোরে পেয়ে যাবেন। এটির বর্তমান প্লে স্টোর ইউজার প্রায় ১কোটির ও বেশি। অ্যাপটি ব্যবহার করে যে কোন ছবির অবজেক্ট, ব্যাকগ্রাউন্ড, কালার চেন্জ সহ অসংখ্য কাজ করতে পারবেন খুব সহজে। ব্যবহারবিধি সহজলভ্য হওয়ায় এই অ্যাপটিও বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করছে।

নোট:

উপরে উল্লেখিত অ্যাপগুলো আপনি গুগল প্লে স্টোরে পেয়ে যাবেন। এবং অ্যাপগুলোরকাজ দেখতে ইউটিউবে সার্চ করতে পারেন। সেখানে অ্যাপগুলো নিয়ে অসংখ্য ভিডিও পেয়ে যাবেন। আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ে যদি আপনার উপকার হয়ে থাকে তবে অন্যদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

আরও পড়ুনঃ ব্রেস্ট ক্যান্সার কি এবং কেন হয়-২০২২

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here